এক নজরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যার পর ১৯৮১ সালের ১০ই জুন পর্যন্ত এই বাড়িটি সামরিক কর্তৃপক্ষের অধীনে ছিল। সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু পরিবারের কোন সদস্যকেই এমনকি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ১৭মে তারিখে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন এই বাড়িতে ঢুকতে না দেওয়ায় বাড়ির বাইরের সামনের চত্বরে মিলাদ পড়তে বাধ্য হন। হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের ঋণে নির্মিত ভবনটির ঐসময়ের প্রায় ১২ হাজার টাকার কিস্তি পরিশোধ না হওয়ায় নিলামে চড়ানো হয়। ১৯৮১ সালের জুন মাসের ১০ তারিখে বাড়িটি বুঝে নেওয়ার পর দুই বোন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ঘোষণা করেছিলেন ঐতিহাসিক এই বাড়িটি হবে জনগণের। ১৯৯৪ সালের ১৪ আগস্ট ৩২ নম্বরের এই বাড়িটি "জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর" হিসেবে শুভ উদ্বোধন করা হয়। ৩২ নম্বরের বাড়ি ও টুঙ্গিপাড়ার বাড়ি দেখাশোনা করার জন্য একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করা হয়। ট্রাস্টের অধীনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর ছাড়াও শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে বিশেষায়িত হাসপাতাল এন্ড নার্সিং কলেজ পরিচালিত হয়।

ভবনের ইতিহাস

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত এই বাড়িটি বাঙালির জাতিসত্ত্বার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মুক্তির ঠিকানা। এই বাড়ি থেকেই বাঙালি জাতি পেয়েছিলো মুক্তির দিক নির্দেশনা ও...

আরো পড়ুন

সম্প্রসারিত ভবন

২০১১ সালের ২০ আগস্ট শনিবার মুল ভবনের উত্তরে সম্প্রসারিত ভবনটি উদ্বোধন করা হয়। উক্ত ভবনের ২৬টি পর্বে তথ্য ও সচিত্র ঘটনাবলী তুলে ধরা হয়েছে। সম্প্রসারিত ভবনের ৫ম তলায় একটি লাইব্রারী...

আরো পড়ুন

প্রকাশনা

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে জানতে হলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর এবং মেমোরিয়াল ট্রাস্ট এর প্রকাশিত বই পড়তে হবে। জদুঘর এবং ট্রাস্ট এর প্রকাশিত...

আরো পড়ুন

জাদুঘরের সময় সূচি
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত জাদুঘর খোলা থাকে।
সাপ্তাহিক ছুটি : বুধবার প্রবেশ মূল্য ৫ টাকা ১২ বছরের নিচের শিশুরা টিকিট ছাড়াই প্রবেশ করতে পারবে। ১ মে, বিজয়া দশমী, শব-ই-বরাত, শব-ই-কদর, ঈদ-উল-ফিতর ও ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে জাদুঘর বন্ধ থাকে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: ভিভিআইপি অতিথিদের আগমন উপলক্ষে নিরাপত্তার স্বার্থে জাদুঘর বন্ধ থাকতে পারে।